Breaking News

আজ থেকে সৌদি নারীরা সম্পূর্ণ স্বাধীন !

সৌদি আরব নারীদের স্বাধীনতা রক্ষায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে সৌদি অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীরা তাদের পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া একাই বসবাস করতে পারবেন।

২০২০ সালের জুলাই মাসে সৌদি লেখিকা মারিয়াম আল-ওতাইবি তার বাবার অনুমতি ছাড়া একা ঘুরতে যেতে চাইলে তা আদালতে গড়ালে সেই মামলায় তার পক্ষে রায় দেওয়া হয়। নতুন এই নিয়ম প্রসঙ্গে

সৌদি আইনজীবী নায়েফ আল-মানসি জানান, ‘যদি কারও মেয়ে একা থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে তার পরিবার এখন থেকে আর মামলা করতে পারবে না। অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীরা এই সুযোগ পাবে।’

সংশোধনী এই আইনে আরও বলা হয়, ‘একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী কোথায় থাকবেন সেটা নির্ধারণ করার অধিকার তার রয়েছে। যদি কোনো নারী কোনো অপরাধ করে কেবল তখনই তার অভিভাবক

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে পারবে। এমনকি যদি কোনও নারীর কারাদণ্ড হয়, তবে সাজার মেয়াদ শেষে তাকে তার অভিভাবকের কাছে ন্যস্ত করার কোনো বিধান থাকছে না।’ সূত্র: গালফ নিউজ

আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন সাকিব!

একই ম্যাচে সাকিব আল হাসানের দুই কাণ্ডে নতুন বিতর্ক জন্ম নিয়েছে। প্রথমত, তিনি লাথি মেরে স্টাম্প ভেঙেছেন। এরপরই স্টাম্প তুলে আছাড়ও মারেন মোহামেডান অধিনায়ক!

শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও আবাহনী লিমিটেডের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে।কয়দিন আগেই সাকিব আল হাসাআন এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের খুব কাছের মানুষটি হলেন খালেদ মাহমুদ সুজন।

তিনিই ক্রিকেটারদের সবকিছু দেখভাল করেন। তবে আজ শুক্রবার আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে সাকিব আল হাসান ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের সঙ্গেও। সেইসময় দুই দলের ক্রিকেটার এবং স্টাফরা এই দুজনকে আলাদা করে যার যার টেন্টে নিয়ে যান।

আবাহনী লিমিটেড ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ম্যাচ মানেই উত্তেজনার পারদ পৌঁছে যাওয়া তুঙ্গে। খেলোয়াড় থেকে শুরু করে দর্শক—সবার মধ্যেই তীব্র উত্তেজনা দেখা যায়। বিষয়টি বলা যাক, পঞ্চম ওভারের শেষ বলটা দারুণভাবে ভেতরে ঢুকিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।

ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম হন পরাস্ত। এলবিডাব্লিউর জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। এরপর এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে ক্ষেপে গিয়ে লাথি মেরেই স্টাম্প ভেঙে ফেলেন সাকিব। পরের ওভার শেষে ফের স্টাম্প তুলে আছাড়ও মারেন তিনি!

এই ম্যাচে আগে ব্যাটিং পেয়ে ১৪৫ রান করে মোহামেডান। জবাব দিতে নেমে ব্যাট করতে গিয়ে শুভাগত হোমের আঘাতে ৯ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে আবাহনী। আবাহনীর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাকিব। ওভারের দ্বিতীয় বলে তাকে ছয় মারেন আবাহনী অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, পরের বলেই চার। শেষ বলে অবশ্য মুশফিককে পরাস্ত করে তার প্যাড আঘাত হেনেছিল সাকিবের বল।

কিন্তু লেগ বিফোরের জন্য সাকিবের জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। আর তাতেই সাকিব লাথি মেরে ভেঙে ফেলেন বোলিং প্রান্তের স্টাম্প। এই সময়ে আম্পায়ারকে শাসাতেও দেখা গেছে তাকে। এমন আচরণের জন্য শৃঙ্খলাভঙ্গের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বাংলাদেশের সফলতম এই ক্রিকেটারকে।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে একটা বিতর্ক না কাটতেই নতুন আরেকটির জন্ম দিলেন সাকিব। এর আগে লিগের বায়ো বাবল ভেঙে তিনি অনুশীলন করায় তদন্তের মুখে পড়েছিল তার ক্লাব মোহামেডান। এই বিষয়টির শাস্তি হিসেবে হয়তো আজীবন ক্রিকেট থেথে নি’ষিদ্ধও হতে পারেন সাকিব।

About Admin

Check Also

মুহুর্মুহু রকেট হামলায় কেঁপে উঠলো ফিলিস্তিন!

যুদ্ধবিরতি মুলতুবি। গাজা লক্ষ্য করে দিনভর রকেট হামলা এবং বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী …