Breaking News

যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের সরাসরি “না”-কি ভাবছে বাইডেন প্রশাসন!

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি গত বুধবার (৯ জুন) ইসলামাবাদের এক বক্তব্যে জানান, ‘আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করার পর যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি ঘাঁটি ব্যবহার করার ইচ্ছা পোষণ করতে পারে।

কিন্তু আমাদের নিজেদের স্বার্থ দেখতে হবে। আমেরিকান বাহিনীকে পাকিস্তানের কোনো ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেবে না পাকিস্তান। এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সরকারের অবস্থান ‘কঠোর।’

এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল, মার্কিন সেনাদের পাকিস্তানের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে চায় ইসলামাবাদ। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস সম্প্রতি গোপনে পাকিস্তান সফর করেছেন।

সেখানে তিনি এ বিষয়ে পাক সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে মার্কিন সেনা মোতায়েন করতে দেওয়ার বিষয়টি পাকিস্তানের জনগণ কখনও মেনে নেবে না বলে এ ব্যাপারে ইসলামাবাদকে বুঝেশুনে কথা বলতে হচ্ছে।

মোদিকে দাড়ি কাটার টাকা পাঠিয়ে চিঠিতে যা লিখলেন চা বিক্রেতা!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দাড়ি কাটার জন্য ১০০ রুপি মানি অর্ডার করলেন মহারাষ্ট্রের এক চা বিক্রেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, যদি প্রধানমন্ত্রী কিছু বাড়াতেই চান তাহলে দাড়ি নয়, দেশে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করুন। করোনা টিকার হার বাড়ান।

মহারাষ্ট্রের বারামাটির বাসিন্দা ওই চা বিক্রেতার নাম অনিল মোরে। ইন্দ্রপুর রোডে এক বেসরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে ছোটখাটো একটি চায়ের দোকান চালান তিনি। অনিল বারবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার কোনও অভিপ্রায় থেকে এই কাজ তিনি করেননি।

তাহলে ঠিক কী দাবি অনিলের? কেন একাজ করলেন তিনি? তার কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নিজের দাড়ি বাড়াচ্ছেন। যদি কিছু বাড়াতেই হয় তাহলে সেটা হওয়া উচিত দেশের কর্মসংস্থান। পাশাপাশি দেশে টিকাকরণের গতি বাড়ানো হোক। বাড়ানো হোক হাসপাতালের সংখ্যা। গত দুটি লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষকে যে দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত যাতে মানুষ এটা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে সে চেষ্টা করা।”
অনিল পরিষ্কার জানিয়েছেন, দেশে প্রধানমন্ত্রীর স্থানই যে সর্বোচ্চ তা ভাল করেই জানেন তিনি। তার মতে, “আমি তাকে একশ’ রুপি পাঠিয়েছি, যাতে উনি নিজের দাড়িটা কেটে ফেলেন। কিন্তু উনি আমাদের মহান নেতা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা রয়েছে। তার অবমাননা করার কোনও ইচ্ছাই আমার নেই। কিন্তু যেভাবে মহামারীর কবলে পড়ে দিনের পর দিন দেশের গরিব মানুষের সমস্যা বেড়েই চলেছে, তাতে এভাবে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা ছাড়া উপায় ছিল না।”

জানা গেছে, তার চিঠিতে মোদির কাছে অনিল আরজি জানিয়েছেন, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারগুলোকে ৫ লাখ টাকা করে সাহায্য করুক কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে লকডাউনে বিধ্বস্ত পরিবারগুলোকেও দেওয়া হোক ৩০ হাজার টাকা। সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস, নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ্য উইক

About Admin

Check Also

মুহুর্মুহু রকেট হামলায় কেঁপে উঠলো ফিলিস্তিন!

যুদ্ধবিরতি মুলতুবি। গাজা লক্ষ্য করে দিনভর রকেট হামলা এবং বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী …